গফরগাঁও অবৈধ বালু উত্তোলন , চুরির বালু বিক্রি হয় ভালুকা আর শ্রীপুর।
আজাহারুল ইসলাম গফরগাঁও, হৃদয় হাসান পাকুন্দিয়া থেকে
ময়মনসিংহের গফরগাঁও এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। আর এই অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে সরাসরি জরিত গফরগাঁও এলাকার সেচ্ছাসেবক দলের মনির হোসেন, পাতলাশি গ্রামের যুবদল নেতা ইয়াসিন, নিগুয়ারির ফরিদ হোসেন, স্থানীয় সাংবাদিক পাতলাশী গ্রামের সাব্বির রায়হান আকন্দ, আওয়ামী লীগ নেতা মফিজুল ইসলাম, শ্রীপুর বরমি এলাকার রতন ফকির, মাসুদ সরকার, আফাজ প্রধান, ইব্রাহিম বিএসসি এরা সবাই অবৈধ বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গফরগাঁও থেকে প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ ভোলগেট বালু বিভিন্ন এলাকায় পাচার করা হয়। সরকারের কোন ইজারা না থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে এই অবৈধ বালু উত্তোলনের মহাযজ্ঞ।
অভিযোগ আছে দৈনিক কালের কন্ঠে ও আনন্দ টিভির নাম ব্যবহার করে সাংবাদিকতার আড়ালে তার নেতৃত্বে গফরগাঁও ব্রহ্মপুত্র নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ইজারাবিহীন এই বালু উত্তোলন করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।
স্থানীয় এলাকাবাসীদের দাবি এই অবৈধ বালু উত্তোলন শিগ্রই বন্ধ হোক নয়তো অচিরে তাদের বাড়িঘর এ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন এলাকাবাসী বলেন পাতলাশি এলাকার এক সময় আওয়ামী লীগের নেতা আশিক আকন্দর ছোট ভাই সাংবাদিক রায়হান তার নিজস্ব লোডড্রেজার দিয়ে প্রতিদিন কয়েক কোটি টাকার বালু উত্তোলন করে। আর এই টাকার বাটোরা করেন তাহারা নিজে।
নির্গুয়ারি ইউনিয়নের বকুলতলা এলাকায় সেখানে তারা গড়ে তুলেছেন অবৈধ বালু উত্তোলনের নেটওয়ার্ক বানার নদীর এই ঘাটে ভলগেটের টোকেন দেওয়া হয় আর এর নেতৃত্ব দেন যুবদল নেতা ইয়াসিন ও ফরিদ হোসেন। কিছুদিন আগে এই এই ইয়াসিন বালুর নিয়ে সংগঠিত একটি মার্ডার হলে সে মার্ডার কেসের এক নম্বর আসামী।
বরমি এলাকার ইব্রাহিম বিএসসির গতিতে প্রতিদিন কয়েক লক্ষ গন ফুট অবৈধ বালু উত্তোলন করা হয়।
ব্রহ্মপুত্র নদ খনন প্রকল্প চলমান থাকায় নদের কোনো বালু মহাল ইজারা দেওয়া হচ্ছে না দুই অর্থ বছর ধরে। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে বালুর চাহিদা থাকায় অসাধুচক্র বালু উত্তোলন করছে। কোথাও কোথাও লুকোচুরি করা হলেও গফরগাঁও উপজেলায় প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন চলছে। উপজেলার ২ নম্বর বারবাড়িয়া ইউনিয়নের চারিপাড়া এলাকায় সবচেয়ে বেশি বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।
ময়মনসিংহের গফরগাঁও এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কিছু সিন্ডিকেট চক্র ইজারাবিহীনভাবে এ বালু উত্তোলন করছে।
ব্রহ্মপুত্র নদ খনন প্রকল্প চলমান থাকায় নদের কোনো বালু মহাল ইজারা দেওয়া হচ্ছে না দুই অর্থ বছর ধরে। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে বালুর চাহিদা থাকায় অসাধুচক্র বালু উত্তোলন করছে। কোথাও কোথাও লুকোচুরি করা হলেও পাকুন্দীয়া উপজেলায় প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন চলছে। ।
এলাকার অনেকেই বলেন পাতলাশী গ্রামের আশিক, মফিজুল,সাব্বির রায়হান ফ্যাসিস্ট সরকারের আমল থেকে আওয়ামীলীগের হয়ে পাকুন্দিয়া, টোক, আড়ালিয়া,মনোহরদী এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের সাথে জরিত। এখন বিএনপি সরকারের আসার পর আবার বিএনপি নেতাদের ম্যানেজ করে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন করছে। তারা সুবিধাবাদী লোক যে দল আসে সেই দলের হয়ে যায়। তবে বিগত আওয়ামীলীগের আমলে অবৈধ বালু উত্তোলন করে কামিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।
Leave a Reply